💡 Key Specifications
📋 Full Specifications
| Brand | ZTE nubia |
|---|---|
| Model | RedMagic 11s Pro Plus |
| Network | 2G, 3G, 4G, 5G Supported |
| Build Material | Glass Front, Glass Back, Aviation Aluminum Frame |
| Display Type | AMOLED, 1B Colors, Smooth Refresh Rate |
| Display Size | 6.85 inches (1216 x 2688 pixels) |
| OS & UI | Android (RedMagic OS) |
| Chipset | Octa-core Ultimate Flagship Processor |
| RAM | 16 GB |
| Storage | 512 GB |
| Main Camera | 50 MP + 50 MP + 2 MP Triple Camera |
| Selfie Camera | 16 MP Under-display Front Camera |
| Connectivity | Wi-Fi, Bluetooth, GPS, USB Type-C, NFC |
| Sensors | Fingerprint (In-display), Accelerometer, Gyro, Proximity, Compass |
| Battery | Li-Ion 7500 mAh (Non-removable) |
| Charging | Super Fast Flash Charging |
| Price in BD | ৳১,৪৯,৫০০ |
ZTE nubia RedMagic 11s Pro Plus রিভিউ ও বিস্তারিত বিশ্লেষণ
১. ভূমিকা ও ফার্স্ট লুক: গেমিং স্মার্টফোনের জগতে নুবিয়া রেডম্যাজিক সিরিজ সবসময়ই রাজত্ব করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বাজারে এসেছে নতুন গেমিং মনস্টার ZTE nubia RedMagic 11s Pro Plus। ফোনটি প্রথম দেখাতেই এর বোল্ড গেমিং লুক এবং প্রিমিয়াম ফিনিশিং দিয়ে যেকোনো টেক-প্রেমীকে মুগ্ধ করতে বাধ্য।
২. আল্টিমেট গেমিং ডিজাইন: এই ফোনের বডি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে এভিয়েশন গ্রেড অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম এবং পেছনের অংশে গ্লাস ব্যাক। এর চ্যাসিস এবং ব্যাক প্যানেলের ডিজাইন পুরোপুরি গেমারদের কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে, যা হাতে ধরলে একটি আল্ট্রা-প্রিমিয়াম এবং ফিউচারিস্টিক অনুভূতি দেয়।
৩. নচ-হীন নিখুঁত ডিসপ্লে: RedMagic 11s Pro Plus-এ রয়েছে একটি বিশাল6.৮৫ ইঞ্চির অ্যামোলেড (AMOLED) ডিসপ্লে। স্ক্রিনে কোনো পাঞ্চ-হোল বা নচ নেই, যার ফলে গেম খেলা কিংবা ফুল স্ক্রিন কন্টেন্ট উপভোগ করার সময় শতভাগ বেজেললেস ভিউ পাওয়া যায়।
৪. ক্রিস্প রেজোলিউশন: ডিসপ্লেটির ১২১৬x২৬৮৮ পিক্সেল রেজোলিউশন অত্যন্ত শার্প এবং প্রাণবন্ত কালারআউটপুট নিশ্চিত করে। এর হাই-রিফ্রেশ রেট এবং সুপার রেসপনসিভ টাচ স্যাম্পলিং রেট গেমপ্লেকে নিয়ে যায় এক অন্য উচ্চতায়।
৫. পারফরম্যান্সের রাজা: হুডের নিচে নুবিয়া ব্যবহার করেছে অ্যান্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমের সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর। যেকোনো আল্ট্রা-সেটিংসের গেম কিংবা ভারী মাল্টিটাস্কিংয়ের কাজ এই চিপসেট চোখের পলকে কোনো ল্যাগ ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারে।
৬. ১৬ জিবি র্যাম ও বিশাল স্টোরেজ: ফোনটিতে দেওয়া হয়েছে ১৬ জিবি (16GB) র্যাম এবং ৫১২ জিবি (512GB) ইন্টারনাল স্টোরেজ। এই হিউজ মেমোরি সেটআপের কারণে ব্যাকগ্রাউন্ডে একসাথে ডজনখানেক অ্যাপ সচল রাখলেও ফোনের গতি বিন্দুমাত্র কমে না।
৭. কুলিং সিস্টেম ও আরজিবি লাইট: রেডম্যাজিকের সিগনেচার অ্যাক্টিভ কুলিং ফ্যান এবং ইন্টারনাল লিকুইড কুলিং মেকানিজম এই ফোনেও বিদ্যমান। দীর্ঘ সময় হাই-গ্রাফিক্সে গেম খেললেও বিল্ট-ইন ফ্যানটি ফোনকে ঠাণ্ডা রাখে এবং এর আরজিবি (RGB) লাইटिंग গেমিং ভাইব বাড়িয়ে দেয়।
৮. শক্তিশালী ট্রিপল ক্যামেরা: গেমিং ফোন হলেও এর ক্যামেরায় কোনো কমতি রাখা হয়নি। পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন, ৫০ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড এবং ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ সেন্সরের ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ, যা দিয়ে চমৎকার ডে-লাইট এবং নাইট ফটোগ্রাফি করা সম্ভব.
৯. আন্ডার-ডিসপ্লে সেলফি ক্যামেরা: স্ক্রিনকে সম্পূর্ণ নিখুঁত রাখতে এর ১৬ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরাটি ডিসপ্লের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সাধারণ ব্যবহারের সময় এটি দেখাই যায় না, যা ফুল-স্ক্রিন এক্সপেরিয়েন্সকে আরও নিখুঁত করে তোলে।
১০. ৭৫০০ এমএএইচ মনস্টার ব্যাটারি: এই ফোনের সবচেয়ে বড় ইউএসপি (USP) হলো এর অবিশ্বাস্য ৭৫০০ এমএএইচ (7500mAh) লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি। スマートফোনের ইতিহাসে এত বড় ব্যাটারি খুবই বিরল, যা টানা গেমিং করলেও অনায়াসে দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে সক্ষম।
১১. আল্ট্রা ফাস্ট চার্জিং ও ওএস: বিশাল এই ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য এতে রয়েছে সুপার ফাস্ট ফ্ল্যাশ চার্জিং সাপোর্ট। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ওএস-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি কাস্টম রেডম্যাজিক ইউআই-তে চলে, যা গেমারদের জন্য স্পেশাল প্লাগইনস ও অপ্টিমাইজেশন অফার করে।
১২. চূড়ান্ত রায় (Final Verdict): বাংলাদেশের বাজারে প্রায় ১,৪৯,৫০০ টাকা মূল্যের (আনঅফিসিয়াল) এই ফোনটি সস্তা নয়। তবে আপনি যদি একজন সিরিয়াস মোবাইল ই-স্পোর্টস প্লেয়ার হন এবং চার্জের চিন্তা ছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গেমিং ডিভাইসটি চান, তবে এটিই আপনার জন্য সেরা চয়েস।
👍 সুবিধা (Pros)
- ৭৫০০ এমএএইচ এর দানবীয় ব্যাটারি লাইফ।
- কোনো নচ বা হোল ছাড়া সম্পূর্ণ ফুল-ভিউ AMOLED স্ক্রিন।
- ১৬ জিবি র্যাম এবং ৫১২ জিবি হাই-স্পিড স্টোরেজ।
- ডেডিকেটেড বিল্ট-ইন কুলিং ফ্যান এবং গেমিং শোল্ডার ট্রিগার।
- ৫০+৫০ মেগাপিক্সেলের চমৎকার রিয়ার ক্যামেরা পারফরম্যান্স।
👎 অসুবিধা (Cons)
- বিশাল ব্যাটারির কারণে ফোনটি ওজনে বেশ ভারী।
- আন্ডার-ডিসপ্লে সেলফি ক্যামেরার ছবির কোয়ালিটি সাধারণ।
- অফিসিয়াল ওয়ারেন্টিসহ এখনো দেশের বাজারে সহজলভ্য নয়।
0 Comments